বুধবার৪ নভেম্বর ২০২৬
মুক্ত তথ্য - The Daily Muktotathya
বিজ্ঞাপন/গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন
প্রচ্ছদ/ভ্রমণ/জনসচেতনতায় সৈকতে প্লাস্টিকের ভাস্কর্য
ভ্রমণ

জনসচেতনতায় সৈকতে প্লাস্টিকের ভাস্কর্য

হাতে উপড়ে ফেলা হচ্ছে নারকেল গাছ। শরীরজুড়ে প্লাস্টিক বর্জ্য। দূর থেকে দেখলে মনে হবে, সমুদ্রের গভীর থেকে উঠে এসেছে এক ভয়ংকর দৈত্য।

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০১:১৬ AM16 বার পঠিত
জনসচেতনতায় সৈকতে প্লাস্টিকের ভাস্কর্য
সংবাদটি শেয়ার করুন:

মফস্বল ডেস্ক, কক্সবাজার

হাতে উপড়ে ফেলা হচ্ছে নারকেল গাছ। শরীরজুড়ে প্লাস্টিক বর্জ্য। দূর থেকে দেখলে মনে হবে, সমুদ্রের গভীর থেকে উঠে এসেছে এক ভয়ংকর দৈত্য। তবে কাছে গেলেই স্পষ্ট হয়, এটি কোনো রূপকথার দানব নয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্লাস্টিক দূষণের ভয়াবহতার প্রতীক হিসাবে এটি তৈরি করা হয়েছে। কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা ও সিগাল পয়েন্টের মাঝামাঝি বেলাভূমিতে ৫০ ফুট উঁচু এ প্লাস্টিকের তৈরি ভাস্কর্যটি সোমবার সন্ধ্যায় প্রদর্শনের জন্য উন্মুক্ত করেছেন জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান।

সমুদ্রদূষণের ভয়াবহতা তুলে ধরা এবং পর্যটক ও স্থানীয়দের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ৫ টন প্লাস্টিক দিয়ে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে সমুদ্র দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরা এবং প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীল আচরণে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা রয়েছে আয়োজকদের। এ প্রদর্শনী চলবে চার মাস। এটির পাশাপাশি সৈকতে নির্মাণ করা হয়েছে একটি বিশেষ থিয়েটার মঞ্চ। সেখানে দায়িত্বশীল পর্যটন বিষয়ে সচেতনতামূলক চলচ্চিত্র দেখানো হবে। প্রবেশমূল্য হিসেবে দর্শনার্থীদের সঙ্গে আনতে হবে দুটি পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল। এর মাধ্যমে বিনোদনের পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা হবে। প্রদর্শনীর উদ্বোধন করে জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, সমুদ্র আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অসচেতনতার কারণে প্রতিনিয়ত প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্র ও সৈকতের পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলছে। এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ মানুষের সামনে দূষণের ভয়াবহতা দৃশ্যমান করে তুলবে এবং নিজেদের আচরণ পরিবর্তনে উৎসাহিত করবে। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, আমরা সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করি, কিন্তু ওটাকে দূষিত করার পেছনে নিজেদের ভূমিকার কথা ভুলে যাই। পরিত্যক্ত প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি এই দানব হচ্ছে অসচেতনতারই প্রতিচ্ছবি।

আমরা চাই, মানুষ এই ভাস্কর্য দেখে শুধু ছবি তুলে চলে যাবে না, বরং নিজের ব্যবহৃত প্লাস্টিক কোথায় ফেলছে, সেটি সমুদ্রের জন্য কী ক্ষতি তৈরি করছে, সেই প্রশ্নটিও নিজের কাছে করবে। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক মুহাম্মদ মুবারক বলেন, ৫০ ফুটের এ দানব তৈরিতে ৫ টন প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে। গাছ উপড়ে ফেলার প্রতীকী দৃশ্যের মাধ্যমে আমরা দেখাতে চেয়েছি, এই দূষণ কীভাবে আমাদের পরিবেশ ও অক্সিজেনের উৎসকে হুমকির মুখে ফেলছে।

বিজ্ঞাপন

পাঠকের মন্তব্য ও আলোচনা

ঐতিহ্যের মহাস্থানগড়, পর্যটনে অপার সম্ভাবনা

ঐতিহ্যের মহাস্থানগড়, পর্যটনে অপার সম্ভাবনা

♦ প্রাচীর নির্মাণ ও দখলদার উচ্ছেদ জরুরি ♦ নেই ভালো আবাসন, উন্নতমানের খাবার



বিশ্বের অদ্ভুত সব ট্রেন

বিশ্বের অদ্ভুত সব ট্রেন

ট্রেন ভ্রমণের ক্ষেত্রে দুর্গম কিংবা কঠিন ভূপ্রকৃতি কখনো মানুষের উদ্ভাবনী শক্তিকে আটকে রাখতে পারেনি।

বিস্তারিত......