শনিবার১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মুক্ত তথ্য - The Daily Muktotathya
বিজ্ঞাপন/গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন
প্রচ্ছদ/আন্তর্জাতিক/আগুনে ১৪ নবজাতকের মৃত্যু : পাকিস্তানের হাসপাতাল যেন মরণ ফাঁদ
আন্তর্জাতিক

আগুনে ১৪ নবজাতকের মৃত্যু : পাকিস্তানের হাসপাতাল যেন মরণ ফাঁদ

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস) হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদনে ভয়াবহ অগ্নিনিরাপত্তা ঘাটতির তথ্য উঠে এসেছে।

প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এ ০৫:৩০ PM45 বার পঠিত
আগুনে ১৪ নবজাতকের মৃত্যু : পাকিস্তানের হাসপাতাল যেন মরণ ফাঁদ
সংবাদটি শেয়ার করুন:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস) হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদনে ভয়াবহ অগ্নিনিরাপত্তা ঘাটতির তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে কোনও কার্যকর ধোঁয়া শনাক্তকারী ব্যবস্থা, ফায়ার অ্যালার্ম বা স্প্রিংকলার ছিল না। এমনকি জরুরি অবস্থায় বের হওয়ার পথও ‘তালাবদ্ধ বা বাধাগ্রস্ত’ছিল।

গত ২৬ আগস্টের ওই অগ্নিকাণ্ডে ১৪ নবজাতকের মৃত্যু হয়। তদন্তে ঘটনাটিকে শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়, বরং হাসপাতালের নিরাপত্তাব্যবস্থার ‘ব্যবস্থাগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, বৈদ্যুতিক তারে সৃষ্ট একটি সম্ভাব্য স্ফুলিঙ্গ থেকে আগুনের সূত্রপাত হলেও হাসপাতালের অপ্রতুল অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিস্থিতিকে ভয়াবহ বিপর্যয়ে পরিণত করে।

ঢুকতেই পারেননি উদ্ধারকর্মীরা বিবিসির সঙ্গে কথা বলা এক দমকলকর্মী জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে অন্য উদ্ধারকর্মীদের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, আগুনের সময় হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করাই অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছিল। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই দমকলকর্মী বলেন, হাসপাতালের কিছু দরজা তালাবদ্ধ থাকায় উদ্ধারকর্মীদের জানালা ভেঙে ভেতরে ঢুকতে হয়। ভেতরে প্রবেশের পরও নবজাতক ওয়ার্ডের দিকে যাওয়ার কিছু দরজা বন্ধ ছিল।

আগুনের ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দৃশ্যটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। নবজাতকদের ওপরে থাকা চিকিৎসা সরঞ্জাম আগুনের তাপে গলে গিয়ে তাদের ওপর পড়ে যায়।

পিআইএমএস কর্তৃপক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন ও এর তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেনি।

ধোঁয়ায় ঢেকে যায় পুরো ওয়ার্ড আগুন লাগার পর হাসপাতালের ভেতরে থাকা অনেকের কাছে প্রথম সতর্কবার্তা আসে চিৎকারের মাধ্যমে। আবদুল গফুর নামে এক ব্যক্তি পাশের একটি ওয়ার্ডে থাকা তার অসুস্থ মায়ের সঙ্গে ছিলেন। আগুন লাগার খবর শুনে তিনি সাহায্য করতে ওপরের তলায় যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন, পুরো ওয়ার্ড ঘন ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে গেছে। ধোঁয়ার কারণে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না।

হাসপাতালের করিডরের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করেও আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার চিত্র পাওয়া গেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, সকাল ৬টা ৩৮ মিনিটে প্রথমবার পরিস্থিতির ভয়াবহতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ওই সময় একজন নার্সকে ওয়ার্ড থেকে বের হয়ে সাহায্যের জন্য ছুটতে দেখা যায়। প্রায় ২০ সেকেন্ড পর তিনি একজন নিরাপত্তাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে ফিরে আসেন।

এরপর আরেক নার্স, রাজিয়া নূরিন, দ্রুত ওয়ার্ডে প্রবেশ করেন এবং কয়েক সেকেন্ড পর একটি নবজাতককে কোলে নিয়ে বেরিয়ে আসেন। ওই শিশুটিই শেষ পর্যন্ত আগুনের ঘটনায় একমাত্র জীবিত নবজাতক হিসেবে বেঁচে যায়। এর এক মিনিটের মধ্যেই ঘন ধোঁয়ায় সিসিটিভি ক্যামেরার দৃশ্য প্রায় পুরোপুরি আচ্ছন্ন হয়ে যায়।

সবাই শুধু দৌড়াচ্ছিল পাশের ওয়ার্ডে থাকা হিভসা ওয়ালিদ, তার নবজাতক ভাতিজি ও ভাবি আগুনের সময় হাসপাতালে ছিলেন। ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর বিবিসিকে তিনি জানান, প্রথমে তারা প্রচণ্ড হইচই শুনতে পান। পরে নবজাতক ইউনিট থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে বুঝতে পারেন আগুন লেগেছে। তিনি বলেন, সেই মুহূর্তে কী ঘটছে তা বোঝার মতো পরিস্থিতি ছিল না। সবাই শুধু নিচে নেমে নিজেদের জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করছিল।

ওয়ালিদের ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও জরুরি ব্যবস্থাপনার নির্দিষ্ট প্রোটোকল থাকার কথা থাকলেও তখন সেভাবে কেউ কিছু করছিল না। চারদিকে শুধু আতঙ্ক ও ছোটাছুটি চলছিল। আবদুল গফুর জানান, তিনি আরও সাত-আটজনের সঙ্গে মিলে করিডরের ঘন ধোঁয়া বের করার চেষ্টা করেন। তারা করিডরের শেষ প্রান্তে থাকা কাচের প্যানেল ভেঙে দেন। এর কিছুক্ষণ পর দমকলকর্মীরা সেখানে পৌঁছান।

আগুনের সূত্র এয়ার কন্ডিশনারের বৈদ্যুতিক ত্রুটি আগুনের দিনই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, ওয়ার্ডের এয়ার কন্ডিশনার থেকে সৃষ্ট স্ফুলিঙ্গ থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তদন্ত কমিটিও এটিকেই সবচেয়ে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এয়ার কন্ডিশনারের বৈদ্যুতিক সরবরাহের একটি তার অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে ঠিক কী ধরনের বৈদ্যুতিক ত্রুটি ছিল, তা নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা যায়নি।

আগুন ছড়িয়ে পড়ে অত্যন্ত দ্রুত। ওয়ার্ডে থাকা প্লাস্টিক, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যের পাত্রে আগুন ধরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ওয়ার্ডে কয়েকজন নবজাতক অক্সিজেন সহায়তায় ছিল। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অক্সিজেন আগুনের তীব্রতা বাড়িয়ে থাকতে পারে; তবে অক্সিজেন সরবরাহের মাধ্যমে আগুন ছড়িয়ে পড়ার কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আট বছরেও বদলায়নি পুরোনো এয়ার কন্ডিশনার তদন্তে হাসপাতালের অবকাঠামোগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসপাতালের এয়ার কন্ডিশনারগুলো নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় ছিল। কিন্তু শুধু রক্ষণাবেক্ষণ করাকে নিরাপত্তা পরিদর্শনের বিকল্প হিসেবে দেখা যায় না। ২০১৮ সালেই হাসপাতালের এয়ার কন্ডিশনারগুলো প্রতিস্থাপন ও আধুনিকায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আট বছর পরও সেই কাজ বাস্তবায়িত হয়নি। তদন্ত কমিটি আরও দেখতে পেয়েছে, নবজাতক ইউনিটে কার্যকর ধোঁয়া শনাক্তকারী ব্যবস্থা, ফায়ার অ্যালার্ম কিংবা স্বয়ংক্রিয় স্প্রিংকলার ব্যবস্থা ছিল না।

নবজাতক সরিয়ে নেওয়ার প্রশিক্ষণও ছিল না নবজাতকদের জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হবে, সে বিষয়ে ইউনিটের কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ বা মহড়া ছিল না বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। বিশেষ করে ওই ওয়ার্ডে থাকা অনেক নবজাতক ছিল অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়া অথবা গুরুতর শারীরিক সমস্যায় ভোগা। ফলে আগুনের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে তাদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য আলাদা পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন ছিল। এছাড়া জরুরি অবস্থায় কীভাবে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করতে হবে, সে বিষয়েও কর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি।

দমকলকে খবর দিতে প্রায় ২০ মিনিট তদন্ত প্রতিবেদনে জরুরি সেবায় খবর দেওয়ার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের বিলম্বের কথা বলা হয়েছে। আগুনের সূত্রপাত হয় সকাল ৬টা ৩৮ মিনিটের দিকে। কিন্তু জরুরি সেবাকে বিষয়টি জানানো হয় সকাল ৬টা ৫৪ মিনিটে—অর্থাৎ আগুন লাগার প্রায় ১৬ মিনিট পর। এরপর প্রথম উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান সকাল ৭টা ১ মিনিটে। উদ্ধারকর্মীদের হাসপাতালে ঢোকার পথ নিয়েও সমস্যা হয়। গফুরও জানান, হাসপাতালের কয়েকটি দরজা দিয়ে উদ্ধারকর্মীদের প্রবেশ করতে বেগ পেতে হয়েছিল।

এর আগে হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক বিবিসিকে বলেছিলেন, নবজাতক ওয়ার্ডের দরজা তালাবদ্ধ ছিল না; বরং নিরাপত্তার কারণে সেখানে পাহারা দেওয়া হতো। সরকারি হাসপাতাল থেকে অতীতে শিশু চুরির ঘটনা ঘটায় এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি জানিয়েছিলেন। তবে তদন্ত কমিটি বলেছে, নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ প্রবেশাধিকার সীমিত করা যেতে পারে, কিন্তু এর ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে নির্ধারিত বের হওয়ার পথ কোনওভাবেই অপ্রবেশযোগ্য হয়ে উঠতে পারে না।

আগেই আগুনের সতর্কবার্তা পেয়েছিল হাসপাতাল তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পিআইএমএস কর্তৃপক্ষ আগেই হাসপাতালের অগ্নিনিরাপত্তা ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কবার্তা পেয়েছিল। ঘটনার মাত্র এক মাস আগে হাসপাতালের নার্সিং হোস্টেলে একটি অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ওই ঘটনায় ধোঁয়া শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, অ্যালার্ম এবং সামগ্রিক অগ্নিনিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবু পরবর্তী সময়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির মতে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও এর জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা পর্যায়ই মূলত দায়ী। কারণ তারা আগে থেকেই জানা ঝুঁকি, পাওয়া সতর্কবার্তা এবং নির্ধারিত দায়িত্বকে কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থায় রূপান্তর করতে ব্যর্থ হয়েছে।

আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ঘটনার পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী তদন্ত প্রতিবেদনের স্বল্পমেয়াদি সুপারিশগুলো আগামী তিন মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি অফিস ও ভবনগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনায় বিশেষ অডিট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আট কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি বৈদ্যুতিক ত্রুটি থেকে শুরু হওয়া আগুনকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হতে পারত। কিন্তু অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি, জরুরি বহির্গমনপথে বাধা, কর্মীদের প্রশিক্ষণের অভাব এবং উদ্ধার তৎপরতায় বিলম্বের কারণে তা ভয়াবহ প্রাণহানিতে রূপ নেয়। সূত্র: বিবিসি

বিলে স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্প, ভারত-চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের পথ খুলল

বিলে স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্প, ভারত-চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্কের পথ খুলল

রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিলে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে রাশিয়া থেকে তেল ও গ্যাস কেনা দেশগুলোর পণ্যে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পেয়েছে মার্কিন প্রশাসন।



বোর্ড ও ট্রাস্টের দ্বন্দ্বে টাটা সাম্রাজ্যে অস্থিরতা

বোর্ড ও ট্রাস্টের দ্বন্দ্বে টাটা সাম্রাজ্যে অস্থিরতা

লবণ থেকে ইস্পাত, অনেক কিছুই তৈরি করে ভারতের শিল্পগোষ্ঠী টাটা গ্রুপ। রতন টাটার হাত ধরে টাটা গ্রুপ প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হয়েছে, তার আধুনিকীকরণও হয়েছে যা এই গোষ্ঠীকে ব্যবসায়িক দিক থেকে বিশ্বস্তরের 'পাওয়ার হাউস'-এ রূপান্তরিত করেছে।

বিস্তারিত......

ইরান যুদ্ধে মার্কিন সেনা নিহতের সংখ্যা প্রকাশিত হিসাবের চেয়ে বেশি : রিপোর্ট

ইরান যুদ্ধে মার্কিন সেনা নিহতের সংখ্যা প্রকাশিত হিসাবের চেয়ে বেশি : রিপোর্ট

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিহতের সংখ্যা প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রকাশিত হিসাবের চেয়ে বেশি হতে পারে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’।

বিস্তারিত......


মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ‘শিকার করার’যুগ শুরু হয়েছে : গালিবাফ

মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ‘শিকার করার’যুগ শুরু হয়েছে : গালিবাফ

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ সপ্তম মাসে গড়িয়েছে।

বিস্তারিত......