বুধবার৪ নভেম্বর ২০২৬
মুক্ত তথ্য - The Daily Muktotathya
বিজ্ঞাপন/গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন
প্রচ্ছদ/কৃষি ও প্রকৃতি/বিলুপ্তির কিনার থেকে ফিরল বিশ্বের সবচেয়ে ভারী পতঙ্গ
কৃষি ও প্রকৃতি

বিলুপ্তির কিনার থেকে ফিরল বিশ্বের সবচেয়ে ভারী পতঙ্গ

একসময় নিউজিল্যান্ডের বিস্তীর্ণ এলাকায় দেখা মিলত ওয়েটাপুঙ্গার। হারাতে হারাতে বিশ্বের সবচেয়ে ভারী এই পতঙ্গের শেষ আশ্রয় হয়ে উঠেছিল একটি দ্বীপ।

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৫:০৩ AM26 বার পঠিত
বিলুপ্তির কিনার থেকে ফিরল বিশ্বের সবচেয়ে ভারী পতঙ্গ
সংবাদটি শেয়ার করুন:

মুক্ততথ্য ডেস্ক

একসময় নিউজিল্যান্ডের বিস্তীর্ণ এলাকায় দেখা মিলত ওয়েটাপুঙ্গার। হারাতে হারাতে বিশ্বের সবচেয়ে ভারী এই পতঙ্গের শেষ আশ্রয় হয়ে উঠেছিল একটি দ্বীপ। ১৫ বছরের যত্ন আর সংরক্ষণচেষ্টায় এখন নতুন ১০টি প্রাকৃতিক আবাসে বংশ বাড়াচ্ছে তারা। দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে প্রজনন করিয়ে ১১ হাজারের বেশি ওয়েটাপুঙ্গা প্রকৃতিতে ছেড়েছেন সংরক্ষণকর্মীরা। সেখানে জন্ম নিয়েছে তাদের চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মও।

নিউজিল্যান্ডের স্থানীয় জায়ান্ট ওয়েটার একটি প্রজাতি ওয়েটাপুঙ্গা। স্ত্রী পতঙ্গ প্রায় ১০ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। ওজন হতে পারে প্রায় ৭০ গ্রাম—ছোট একটি ইঁদুরের কাছাকাছি। একসময় নর্থল্যান্ড ও অকল্যান্ডজুড়ে এদের বিচরণ ছিল। পরে আবাসস্থল কমতে থাকে। ইউরোপীয় বসতি স্থাপনকারীদের আনা ইঁদুর ও বিড়ালও এদের শিকার করতে থাকে। বিশ শতকের মাঝামাঝি এদের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমে যায়। নব্বইয়ের দশকের মধ্যে প্রজাতিটি বিপন্ন হিসেবে চিহ্নিত হয়। বন্য পরিবেশে তখন কেবল লিটল ব্যারিয়ার দ্বীপেই টিকে ছিল তারা।

সংখ্যা এত কম ছিল যে সেখান থেকে সরাসরি অন্যত্র নেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই ২০১০ সালে অকল্যান্ড চিড়িয়াখানা ও বাটারফ্লাই ক্রিকের নেতৃত্বে নিয়ন্ত্রিত প্রজনন কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মীরা ছোট পতঙ্গগুলোকে তাজা পাতা, মাছের প্রোটিন ও ঝরা পাতা খাইয়ে বড় করেন। এরপর ৪৫ দফায় উপকূলের অদূরে শিকারি প্রাণীমুক্ত দ্বীপগুলোতে ছেড়ে দেন।

‘নিউজিল্যান্ড জার্নাল অব জুলজি’তে প্রকাশিত ফলাফল বলছে, নতুন আবাসে তারা নিজেরাই বংশবিস্তার করে টিকে থাকছে। এই সাফল্যে দেশটির সংরক্ষণ বিভাগ প্রজাতিটির অবস্থান ‘জাতীয়ভাবে বিপন্ন’ থেকে ‘জাতীয়ভাবে সংখ্যাবর্ধমান’ শ্রেণিতে উন্নীত করেছে। সাফল্য নথিবদ্ধ করা গবেষক ক্রিস গ্রিন বলেন, ‘ওয়েটাপুঙ্গার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল মনে হচ্ছে।’

তার মতে, অন্য অনেক বিপন্ন প্রজাতির ক্ষেত্রে এমন সুখবর দেওয়া যায় না। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও এভাবে সফল হলে নিউজিল্যান্ডের বিপন্ন প্রাণীদের বড় উপকার হবে।

বিজ্ঞাপন

পাঠকের মন্তব্য ও আলোচনা

শিয়ালের মাংস, তক্ষক কিংবা জোঁকের তেলে সত্যিই কী রোগ সারে?

শিয়ালের মাংস, তক্ষক কিংবা জোঁকের তেলে সত্যিই কী রোগ সারে?

শিয়ালের মাংস খেলে বাতের ব্যথা সারে, তক্ষক খেলে নাকি যৌনক্ষমতা বাড়ে, এমনকি ক্যানসারের মতো দুরারোগ্য রোগও ভালো হয়! আবার জোঁকের তেল দিয়ে বাত, কোমর ও জয়েন্টের ব্যথা নিরাময়ের দাবি করেন অনেকে।



ভেষজ উৎপাদনে ১৬ গ্রামের মানুষের ভাগ্যবদল

ভেষজ উৎপাদনে ১৬ গ্রামের মানুষের ভাগ্যবদল

দেশের একমাত্র ঔষধি পল্লী হিসেবে পরিচিত নাটোরের লক্ষ্মীপুর-খোলাবাড়িয়া জেলার এক অনন্য ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা এই পল্লীতে আসছেন এবং মুগ্ধতা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। নাটোর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর-খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামজুড়ে এই ভেষজ পল্লীর অবস্থান।

বিস্তারিত......
ভেড়ামারায় পদ্মার ভাঙন তীব্র, দুই মাসে ৫০০ বিঘা কৃষি জমি বিলীন

ভেড়ামারায় পদ্মার ভাঙন তীব্র, দুই মাসে ৫০০ বিঘা কৃষি জমি বিলীন

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে দ্বিতীয় দফায় তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর পানি কমে যাওয়ার পর গত দুই মাস আগে শুরু হওয়া ভাঙন নতুন করে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

বিস্তারিত......

গাইবান্ধার চরাঞ্চলে রঙিন গাজর চাষের সম্ভাবনা, বীজ পেলেন ৫০ কৃষক

গাইবান্ধার চরাঞ্চলে রঙিন গাজর চাষের সম্ভাবনা, বীজ পেলেন ৫০ কৃষক

গাইবান্ধার চরাঞ্চলে রঙিন গাজর চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বীজ বিতরণ ও কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিস্তারিত......


যে প্রাণীরা নিজেরাই তাদের চিকিৎসক

যে প্রাণীরা নিজেরাই তাদের চিকিৎসক

অসুস্থ হলে মানুষ চিকিৎসকের কাছে যায়, ওষুধ খায় কিংবা হাসপাতালে ভর্তি হয়। কিন্তু প্রাণীরা অসুস্থ হলে কী করে? তাদের তো হাসপাতাল নেই, চিকিৎসক নেই, ফার্মেসিও নেই।

বিস্তারিত......