বুধবার৪ নভেম্বর ২০২৬
মুক্ত তথ্য - The Daily Muktotathya
বিজ্ঞাপন/গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন
প্রচ্ছদ/ফিচার/কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কী সম্পর্ক?
ফিচার

কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কী সম্পর্ক?

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফল কলা। সারাবছর সহজলভ্য ও তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাওয়ায় পুষ্টিকর ফলটি সবার কাছেই বিশেষ গুরুত্ববহ। তবে, কিছু মানুষ কলা খাওয়া এড়িয়ে যান। তারা মনে করেন, এটি সর্দি-কাশি বাড়ায়।

প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর, ২০২৬ এ ০৪:২৭ AM35 বার পঠিত
কলা খাওয়ার সঙ্গে সর্দি-কাশির কী সম্পর্ক?
সংবাদটি শেয়ার করুন:

মুক্ততথ্য ডেস্ক

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফল কলা। সারাবছর সহজলভ্য ও তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাওয়ায় পুষ্টিকর ফলটি সবার কাছেই বিশেষ গুরুত্ববহ। তবে, কিছু মানুষ কলা খাওয়া এড়িয়ে যান। তারা মনে করেন, এটি সর্দি-কাশি বাড়ায়। অন্যদিকে, কিছু মানুষ বলেন, এই ফলের সঙ্গে ঋতুজনিত অসুস্থতার কোনো প্রতিষ্ঠিত সম্পর্ক নেই। এই ধরনের বৈচিত্র্যময় মতামত আমাদের প্রায়ই বিভ্রান্ত করে। তবে আসল ঘটনা কি? কোনটা সত্য? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কলা অত্যাবশ্যকীয় ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট ও বেশ কিছু মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টে সমৃদ্ধ। আর আয়ুর্বেদের দৃষ্টিতে এটি ‘শীতল’ প্রকৃতির খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। যা শরীরের বাত, পিত্ত ও কফ এই তিনটির ওপর প্রভাব ফেলে।

বিশিষ্ট আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ বিএন সিনহা বলেছেন, 'কলা অতিরিক্ত খেলে প্রায়ই সর্দি, কাশি ও জ্বরের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে এই পরিস্থিতি সাধারণত তখনই ঘটে, যখন আপনি খুব বেশি পরিমাণে কলা খান।' অর্থাৎ, পরিমিত পরিমাণে খেলে কোনো সমস্যা হওয়ার শঙ্কা থাকে না।

রাতে কি কলা খাওয়া যায়? সাধারণত মনে করা হয় যে, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের কলা এড়িয়ে চলা উচিত, বিশেষ করে রাতে এবং শীতকালে। রাতে আমাদের শরীরের কার্যকলাপ ধীর হয়ে যায়, ফলে আমরা সংক্রমণের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়ি। একইভাবে, শীতকালে বিপাক ক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, যা শরীরে ভাইরাসের প্রভাব পড়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। তবে, পরিমিত পরিমাণে কোন সমস্যা হয় না। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ ড. আশুতোষ গৌতম ব্যাখ্যা করেন, "রাতে বা শীতকালে কলা খাওয়ার মধ্যে অনিরাপদ কিছু নেই। তবে, গভীর রাতে কলা খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ কলা একটি ভারী ফল এবং এটি হজম হতে অনেক সময় লাগে।"

অন্যদিকে, মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, কলায় এক ধরনের প্রোটিন থাকে, যা 'ব্যানানা লেকটিন' নামে পরিচিত। এই প্রোটিনের ক্ষমতা রয়েছে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার। একই সঙ্গে ভাইরাসকে কোষের মধ্যে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। যা ইঙ্গিত দেয়, সর্দি-কাশি ও ফ্লুর মতো বিভিন্ন ভাইরাসজনিত রোগের জন্য এন্টিভাইরাল ওষুধ তৈরিতে এবং চিকিৎসা পদ্ধতির বিকাশে কলা সহায়ক হতে পারে। শুধু তাই নয়, একাধিক প্রতিবেদনে সর্দি-কাশি ও পাকস্থলির সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য কলা খাওয়ার সুপারিশও করা হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

বিজ্ঞাপন

পাঠকের মন্তব্য ও আলোচনা

দিনে কতটি কাঠবাদাম খাওয়া উপকারী?

দিনে কতটি কাঠবাদাম খাওয়া উপকারী?

কাঠবাদাম প্রোটিন, আঁশ, স্বাস্থ্যকর চর্বি ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানে সমৃদ্ধ। সাধারণত ২৩টি কাঠবাদামকে এক পরিবেশন বা প্রায় এক আউন্স ধরা হয়।



সকালে খালি পেটে এক টুকরো কাঁচা হলুদের উপকারিতা

সকালে খালি পেটে এক টুকরো কাঁচা হলুদের উপকারিতা

প্রাচীনকাল থেকেই হলুদের ব্যবহার বহুল। তা রান্নার ক্ষেত্রেই হোক বা রূপচর্চা, এর জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু জানেন কি হলুদ ওষুধ হিসেবেও দারুণ কাজ করে।

বিস্তারিত......
তামা নাকি স্টিল, পানির বোতল হিসেবে কোনটি বেশি নিরাপদ?

তামা নাকি স্টিল, পানির বোতল হিসেবে কোনটি বেশি নিরাপদ?

পানি পানের জন্য প্লাস্টিকের বোতলের বদলে তামা বা স্টিলের বোতল বেছে নিচ্ছেন অনেকেই। কেউ তামার বোতলের স্বাস্থ্যগুণে আস্থা রাখেন, আবার কেউ নিরাপদ ও টেকসই ব্যবহারের জন্য স্টিলের বোতল পছন্দ করেন।

বিস্তারিত......

রোগাক্রান্ত কোষের ভেতরেই তৈরি হবে প্রতিষেধক

রোগাক্রান্ত কোষের ভেতরেই তৈরি হবে প্রতিষেধক

ক্যানসার চিকিৎসায় এক নতুন আশার আলো দেখিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে দেখেছেন, ক্যানসার আক্রান্ত কোষের ভেতরে থাকা এক ধরণের গ্যাস ব্যবহার করে সেখানেই ক্যানসার মারার ওষুধ তৈরি করা সম্ভব।

বিস্তারিত......


ক্যাপসিকাম খাওয়ার ৮ উপকারিতা

ক্যাপসিকাম খাওয়ার ৮ উপকারিতা

ক্যাপসিকাম, যা সাধারণত বেল পেপার বা মিষ্টি মরিচ নামেও পরিচিত, স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি সবুজ, লাল, হলুদ, এবং কমলা বিভিন্ন রঙে পাওয়া যায়।

বিস্তারিত......