সংকটে ঐক্যই সবচেয়ে বড় সমাধান: হুইপ নিজান
‘সংকটে ঐক্যই সবচেয়ে বড় সমাধান’বলে ঐক্যের আহ্বান করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও কুমিল্লা জেলার উন্নয়ন সমন্বয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান।

কুমিল্লা প্রতিনিধি
‘সংকটে ঐক্যই সবচেয়ে বড় সমাধান’বলে ঐক্যের আহ্বান করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও কুমিল্লা জেলার উন্নয়ন সমন্বয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান। সোমবার কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলার আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সংকটে সমাধান আছে, ঐক্য সবচেয়ে বড় সমাধান। আমরা জাতীয় রাজনীতি যার যার অবস্থান থেকে করব, কিন্তু রাষ্ট্রের স্বার্থে, সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার স্বার্থে আমাদের অবস্থান এক। আমরা ভোটাভুটি করব, বাহাস করব, জয়-পরাজয় মেনে নেব—এটাই আমাদের রাজনীতির মূলকথা। আমরা বিরোধী দলসহ সবাই মিলে কুমিল্লার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করব এবং মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি।
এদিকে নিরাপত্তা, আকার আর চাহিদার কথা চিন্তা করে কুমিল্লায় মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন যাত্রা শুরু প্রস্তাবের কথা জানান গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন। বক্তব্যে তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই সেটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। সেই বিষয়ে কাজ চলমান আছে।
বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, জুলাই সনদে বাংলাদেশের দুটি বিভাগ করার সিদ্ধান্ত দেওয়া আছে। একটা হচ্ছে কুমিল্লা, আরেকটা ফরিদপুর। এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা চাই না কুমিল্লা বিভাগ নিয়ে নোয়াখালী ও কুমিল্লার মধ্যে কোনো আঞ্চলিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হোক।
এর আগে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন, কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য আতিকুল ইসলাম শাওন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ সরকারি সকল দফতরের দফতর প্রধান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা।





